প্রান্তিক মানুষদের বাঁচানো ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়া উভয় সরকারের দ্বায়িত্বঃ এস ইউ সি আই(সি)

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  নোভেল করোনা ভাইরাসের আক্রমণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এস ইউ সি আই (সি) সারা রাজ্যে একযোগে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দিল । নোভেল করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে দেশ ব্যাপী চলছে লকডাউন। এতে বিপদে পড়েছে সমাজের প্রান্তিক মানুষ। একটানা লকডাউনে দেশের কোটি কোটি মানুষের খাদ্যে বড় টান পড়েছে।  এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এস ইউ সি আই (সি) একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট দাবী নিয়ে সারা রাজ্যে ৩০শে এপ্রিল প্রত্যেক বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেয়। 

    নোভেল করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এই ভয়ঙ্কর অবস্থা সামাল দিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গুলির দরকার বৈজ্ঞানিক পন্থা অবলম্বন করে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা। কিন্তু কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গুলি সাধারণ মানুষকে রক্ষা না করে তর্জা চালাচ্ছে। জি এস টি চালুর পর রাজ্যগুলিকে রাজ্যের প্রাপ্য আদায় করতেই অনেকটা সময় নিয়ে ফেলছে। যদি সেই রাজ্য  অবিজেপি শাসিত হয় তাহলে তো আরও বিপদ। তাছাড়া প্রত্যেক শাসক দলের নেতা কর্মীদের নিকৃষ্ট দুর্নীতি তো আছেই ।  রাজ্যের পাওনা আর দ্বায়িত্ব কার এই প্রশ্নের মাঝে প্রান্তিক মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত।

নওদা ব্লক ডেপুটেশন। এস ইউ সি আই (সি) নওদা লোকাল কমিটি
  একদিকে প্রান্তিক মানুষের ক্ষুধার জ্বালা, আর একদিকে নোভেল করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হাতছানি। জীবাণু মুক্ত পৃথিবী হয় না। জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করেই মানুষ বেঁচে থাকে। আর সে লড়াইয়ের রসদ যোগায় শরীরের পুষ্টি। একটানা খাদ্যের অভাবে এই সব প্রান্তিক মানুষগুলির নোভেল করোনার বিরুদ্ধে লড়বার ক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে যাবে। তখন আর কোন ভ্যাক্সিন শরীরে নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে না।

     আক্রান্তের সেবায় নিয়োজিত ডাক্তারদের পর্যাপ্ত কিট, পিপিই ইত্যাদি অপর্যাপ্ত -যা সরবরাহের দ্বায়িত্ব সবচেয়ে বেশী কেন্দ্র সরকারের। এর সাথে কেন্দ্র ও  রাজ্য সরকারের নোভেল করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা চেপে যাওয়া বিপদ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

   এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে প্রাণে বাঁচাতে পারে উভয় সরকারের নাগরিকের প্রতি দ্বায়িত্ববোধ। আর সেই দ্বায়িত্বের কথায় মনে করিয়ে এস ইউ সি আই (সি) বিডিওর মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নিকট দাবিপত্র পেশ করে।

No comments

Powered by Blogger.